সর্বশেষ

» গোলাপগঞ্জে নাজমুল ও মিনহাজ হত্যা মামলায় এক ইউনিয়নের শতাধিক নিরীহ ব্যক্তিকে আসামী করার অভিযোগ

প্রকাশিত: ২৬. আগস্ট. ২০২৪ | সোমবার

জেলা প্রতিনিধি: সিলেটের গোলাপগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিতে নিহত নাজমুল ইসলাম ও মিনহাজ উদ্দিন হত্যার ঘটনায় ২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (২৬ আগস্ট) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোহাম্মদ আব্দুন নাসের।

নিহত নাজমুল ইসলামের বাড়ি উপজেলার ঢাকা দক্ষিণ ইউনিয়নের নিশ্চিন্ত গ্রামে৷ রোববার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে তার স্ত্রী খাদিজা মাহিনুর বাদি হয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় ১১৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০০/১১০ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।

এছাড়া গোলপগঞ্জ উপজেলার ঢাকা দক্ষিণ ইউনিয়নের দত্তরাইল গ্রামের নিহত মিনহাজ উদ্দিনের ভাই সাঈদ আহম্মদ বাদী হয়ে আরও একটি মামলা দায়ের করেছেন। রোববার রাত ১২টার দিকে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০০/১৫০ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।

এই দুই মামলায় গোলাপগঞ্জের একটি ইউনিয়নের শতাধিক নিরীহ মানুষকে আসামী করার অভিযোগ উঠেছে৷ ইউনিয়নটির নাম শরিফগঞ্জ। এ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত নয়-এময় শতাধিক মানুষকে আসামী করা হয়েছে। আসামী তালিকায় সাংবাদিক,শিক্ষক,ছাত্র,শ্রমিক এবং কৃষকদের নাম রয়েছে।

এজাহার সূত্রমতে,শরিফগঞ্জ ইউনিয়নের যাদেরকে আসামী করা হয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন-এম এ মুমিত হীরা,সাংবাদিক জাকির হোসেন,সাংবাদিক শাহীন আলম,স্কুল শিক্ষক রেজাউল ইসলাম,তরিকুল ইসলাম,ব্যবসায়ী সেলিম মিয়া,আমির উদ্দিন,তারেক আহমদ,গিয়াস উদ্দিন,স্কুল ছাত্র এমাদ উদ্দিন,রায়হান আহমদ,কৃষক সিরাজ মিয়া,দুদু মিয়া,এহসান মিয়া,আলী হোসেন,শামীম আহমদ প্রমুখ।

উল্লেখিত আসামীদের মধ্যে আলী হোসেন নামক যুবকটি একজন কৃষকের ছেলে। পেশায় সে ‘রাখাল’। এরকম দলনিরপেক্ষ,নিরীহ ব্যক্তিদেরকে আসামী করায় এ মামলার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে৷

স্থানীয়দের ধারণা,বিএনপি নেতারা ব্যক্তিগত শত্রুতা চরিতার্থ করতে গণহারে নিরীহ লোকদেরকে আসামী করেছেন৷

প্রসঙ্গত,গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিতে নিহত হন নাজমুল ইসলাম ও মিনহাজ উদ্দিন।

           

সর্বশেষ

আর্কাইভ

April 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930