সর্বশেষ

» কানাইঘাট রামিজা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হারুন রশিদকে বিদায় সংবর্ধনা

প্রকাশিত: ০২. নভেম্বর. ২০২৬ | সোমবার

কানাইঘাট প্রতিনিধি ঃ ঐতিহ্যবাহী কানাইঘাট রামিজা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ হারুন রশিদের অবসর জনিত উপলক্ষে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির উদ্যোগে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ১১টায় স্কুল মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামুন আহমদের সভাপতিত্বে, সহকারী শিক্ষক সেলিম আহমদের সঞ্চালনায় বিদাীয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশিদ।

সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিদায়ী সহকারী প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশিদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি বিদ্যালয়ের অভিভাবক নুরুল হোসেন বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নিজাম উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুমিন রশিদ। বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক শামীম আহমদ, ফারুক মিয়া, শিক্ষার্থী ফাহমিদা জান্নাত, মনিসা জান্নাত প্রমুখ।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলেন, বিদায়ী সহকারী প্রধান শিক্ষক হারুন রশিদ দীর্ঘ ৩৮ বছর রামিজা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে এখান থেকে অবসরে যাচ্ছেন। বিদ্যালয়ের উন্নতির পিছনে এ আদর্শবান শিক্ষকের অনেক অবদান রয়েছে। তিনি এ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্নে তিনি বিনা বেতনে শিক্ষকতা করেছেন। তিনি শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন না, শিক্ষার্থীদের অভিভাবকও ছিলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে রামিজা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একজন প্রিয় শিক্ষক ছিলেন তিনি। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাকে সব-সময় স্মরণ রাখবেন।
বিদায়ী সংবর্ধিত অতিথি হারুন রশিদ অত্যন্ত আবেগাপ্লুত হয়ে তার বক্তব্যে বলেন, রামিজা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা শুরু এবং এখান থেকে তিনি অবসরে যাচ্ছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাবা-মা যে স্বপ্ন নিয়ে তোমাদেরকে বিদ্যালয়ে পাঠান তাদের স্বপ্ন পূরণে তোমরা নিষ্ঠার সাথে লেখাপড়া করবে এবং শিক্ষকদের সব-সময় সম্মান করবেন। রামিজা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দীর্ঘ ৩৮ বছরে শিক্ষকতার স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমি সব-সময় শিক্ষার্থীদের নিষ্ঠার সাথে পাঠদান করিয়েছি। স্কুলের সার্বিক শিক্ষার উন্নয়নে অনেক সময় আমার সহকর্মী শিক্ষকদের কথাবার্তায় কষ্ট দিয়েছি, তা আপনারা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আমি সব-সময় আমার বিদ্যালয়ের পাশে থাকবো।
অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিদায়ী শিক্ষককে সম্মাননা স্মারক সহ বিভিন্ন উপহার প্রদান করা হয়। এছাড়া বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নুরুল হক চাকুরী জীবন অবসর যাওয়ায় তাকেও বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

           

সর্বশেষ

আর্কাইভ

November 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30