- উপশহরে বায়তুন নাযাত জামে মসজিদের সীরাত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
- তারেক রহমানের সরকার প্রবাসীদের পাশে রয়েছে : কানাইঘাটে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
- কানাইঘাট বোরহান উদ্দিন বাজারে ডিজিটাল কনসালটেন্সি এজেন্সির উদ্বোধন
- জেলা প্রশাসকের সাথে সিলেট জেলা উত্তর ছাত্র জমিয়তের মতবিনিময়
- সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বারে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন ও সেফটি প্ল্যান সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে মতবিনিময়
- কানাইঘাট পুলিশের চোরাচালান ও মাদক বিরোধী অভিযান জোরদার! ৮ মাসে ৪৭ টি মামলা-গ্রেফতার ৫২
- আবারো লোভার জব্দকৃত পাথর চুরি করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আটগ্রামে
- রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সুধীজনদের সাথে কানাইঘাটের নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময়
- কানাইঘাটে প্রশাসনের উদ্যোগে গণঅভ্যুত্থান দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের পুরস্কার বিতরণ ও নতুন সদস্যদের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত
» ‘গোল্ডেন মনিরের’ বাড়ি থেকে অস্ত্র-মদ-স্বর্ণ ও কোটি টাকা উদ্ধার
প্রকাশিত: ২১. নভেম্বর. ২০২০ | শনিবার
চেম্বার ডেস্ক:: রাজধানীর মেরুল বাড্ডা এলাকায় স্বর্ণ চোরাকারবারি ‘গোল্ডেন মনিরের’ বাসায় অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তল, কয়েক রাউন্ড গুলি, মদ, ৬০০ ভরি স্বর্ণ (৮ কেজি), ১০টি দেশের মুদ্রা ও ১ কোটি ৯ লাখ টাকা জব্দ করেছে র্যাব।
অভিযান শেষে শনিবার (২১ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় র্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়নের (র্যাব) লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ এসব তথ্য জানিয়েছেন।
আশিক বিল্লাহ বলেন, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ অবৈধপথে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে নিয়ে এসেছেন গোল্ডেন মনির। আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে তার স্বর্ণ চোরাকারবারের রুট ছিল ঢাকা-সিঙ্গাপুর-ভারত। এসবই তিনি করেছেন ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে। যেখানে তার নাম হয়ে যায় গোল্ডেন মনির।
অভিযান সম্পর্কে আশিক বিল্লাহ বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৩ এর একটি দল শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টায় মেরুল বাড্ডা ডিআইটি প্রজেক্ট এলাকায় অবস্থান নেয়। অভিযানের মূল কারণ ছিল অবৈধ অস্ত্র ও মাদক। মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনিরকে গ্রেফতারের পর তার হেফাজত থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, বিদেশি মদ এবং প্রায় ৯ লাখ টাকার বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যায়। তার বাসা থেকে আট কেজি স্বর্ণ ও নগদ ১ কোটি ৯ লাখ টাকা নগদ জব্দ করা হয়েছে।
গোল্ডেন মনির ওরফে মো. মনির হোসেন সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, তিনি মূলত একজন হুন্ডি ব্যবসায়ী, স্বর্ণ চোরাকারবারি এবং ভূমির দালাল। তার একটি অটোকার সিলেকশন শোরুম আছে। পাশাপাশি রাজধানীর গাউছিয়ায় একটি স্বর্ণের দোকানের সাথে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। আমরা তা বাসা থেকে অনুমোদনবিহীন বিলাসবহুল দুটি বিদেশি গাড়ি জব্দ করেছি, যার প্রত্যেকটি দাম প্রায় তিন কোটি টাকা। এর পাশাপাশি কার সিলেকশন শোরুম থেকেও আমরা তিনটি বিলাসবহুল অনুমোদনবিহীন গাড়ি আমরা জব্দ করেছি।
আশিক বিল্লাহ বলেন, গ্রেফতারকৃত মনির ১৯৯০-এর দশকে রাজধানীর গাউছিয়ায় একটি কাপড়ের দোকানের কর্মচারী ছিলেন। সেটা ছেড়ে দিয়ে তিনি ক্রোকারিজের ব্যবসা শুরু করেন। এর পর লাগেজ ব্যবসা অর্থাৎ ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে তিনি বিভিন্ন মালামাল দেশে আনতেন। একপর্যায়ে তিনি স্বর্ণ চোরাকারবারি নিজেকে জড়িয়ে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ অবৈধপথে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে আনেন। যেখানে তার নাম হয়ে যায় গোল্ডেন মনির। স্বর্ণ চোরাকারবারে জড়ানোয় ২০০৭ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়।
সর্বশেষ খবর
- উপশহরে বায়তুন নাযাত জামে মসজিদের সীরাত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
- তারেক রহমানের সরকার প্রবাসীদের পাশে রয়েছে : কানাইঘাটে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
- কানাইঘাট বোরহান উদ্দিন বাজারে ডিজিটাল কনসালটেন্সি এজেন্সির উদ্বোধন
- জেলা প্রশাসকের সাথে সিলেট জেলা উত্তর ছাত্র জমিয়তের মতবিনিময়
- সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বারে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন ও সেফটি প্ল্যান সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে মতবিনিময়
সর্বাধিক পঠিত খবর
- সিলেট সরকারি মদন মোহন কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা
- সিলেট-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আশিক চৌধুরীর লিফলেট বিতরণ
- নিঃস্ব মানুষের দীর্ঘশ্বাস শুনতে ধসে পড়া কুশিয়ারাপারে অ্যাড. এমরান চৌধুরী
- কানাইঘাট প্রেসক্লাবে প্রবাসী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের নিয়ে মতিবিনিময়
- কানাইঘাটে বিএনপির জনসভা: সিলেট-৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী চান নেতাকর্মীরা

