সর্বশেষ

» ফ্রান্সের পর এবার বেলজিয়ামে মহানবী (সা.) কার্টুন প্রদর্শন করে স্কুলশিক্ষক বরখাস্ত

প্রকাশিত: ০১. নভেম্বর. ২০২০ | রবিবার

চেম্বার ডেস্ক:: ফ্রান্সের পর এবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসের একটি স্কুলের শিক্ষক ক্লাসে মহানবী (সা.)-এর  ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রদর্শন করেছেন।

 

এ ঘটনার পর স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। শুক্রবার ব্রাসেলসের মোলেনবিক সেন্ট-জিন এলাকার একটি স্কুলে এ ঘটনা ঘটে। খবর ডেইলি মেইলের।

 

ফরাসি ম্যাগাজিন শার্লি এবদুতে মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা.)-এর যেসব ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রকাশিত হয়েছিল, ওই শিক্ষক তার একটি নিয়ে পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের দেখান। সেই সঙ্গে তিনি একই কাজ করে কীভাবে একজন ফরাসি স্কুলশিক্ষক নিহত হয়েছেন তার বর্ণনা দেন।

 

বেলজিয়ামের বরখাস্ত হওয়া স্কুলশিক্ষকের নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে শুক্রবার তিনি ক্লাসে ওই অবমাননাকর কার্টুন প্রদর্শন করার পর দুই থেকে তিনজন স্কুলশিক্ষার্থীর অভিভাবক স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ জানান।

 

এর পরই তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এখন স্কুলটিতে তার চাকরি থাকবে কিনা আদালত সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে।

 

অভিযোগ দায়েরকারী শিক্ষার্থীদের পরিবারের বরাত দিয়ে দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে, ওই স্কুলশিক্ষক ক্লাসে একটি ট্যাবলেট কম্পিউটার নিয়ে আসেন এবং সেখান থেকে মানবতার মুক্তির দূত বিশ্বনবী হযরত মুহম্মদ (সা.)-এর ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুনগুলো এঁকে শিক্ষার্থীদের প্রদর্শন করেন।

 

সেই সঙ্গে তিনি এ কথাও বলেন, যারা এসব দেখতে চায় না, তারা যেন মাথা নিচু করে থাকে।

 

সম্প্রতি স্যামুয়েল প্যাটি নামে ফ্রান্সের একজন শিক্ষক তার ক্লাসের শিক্ষার্থীদের সামনে বিশ্বনবী হযরত মুহম্মদ (সা.)-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করার পর এক হামলায় নিহত হন।

 

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ওই হত্যাকাণ্ডের জন্য তার দেশের ‘উগ্র’ মুসলমানদের দায়ী করেন।

 

ম্যাক্রোঁর ঘোষণা করেন, ফ্রান্সে এ ধরনের ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ অব্যাহত থাকবে। তার এ বক্তব্যের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ, তুরস্ক, পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, ভারত ও ইরানসহ গোটা বিশ্বে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।

 

মুসলিমবিশ্বে প্রতিবাদ জোরদার হওয়ার পর ফরাসি প্রেসিডেন্ট সুর কিছুটা নরম করলেও এখন পর্যন্ত তার ওই ধর্ম অবমাননাকারী বক্তব্যের জন্য কোনো ক্ষমা চাননি।

           

সর্বশেষ

আর্কাইভ

September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930