- তৃতীয়বারের মতো বাংলা প্রেসক্লাব মিশিগানের কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত সোলায়মান আল মাহমুদ
- সিলেট সরকারী আলীয়া মাঠে ঈদুল আযহার জামাত সকাল সাড়ে ৭ টায়
- কানাইঘাট বড়চতুলে রাতের অধাঁরে রিক্সা চালকের গাছ কেটে সাবাড়
- কানাইঘাটে কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- কুদরত উল্লাহ মসজিদে হবে ঈদুল আযহার ৩ জামাত
- ঈদ সামনে রেখে কানাইঘাট থানা পুলিশের বিশেষ মবিলাইজেশন মহড়া
- কানাইঘাটে ইউএনও মেধা বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি ও সনদ প্রদান
- কানাইঘাটে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় চোরাচালান ও মাদক নিয়ে ব্যাপক আলোচনা
- কানাইঘাট ভ্যানগাড়ির ধাক্কায় দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীর মৃত্যু! চালক গ্রেফতার
- কানাইঘাটে বর্ণাঢ্য র্যালি ও নানা আয়োজনে ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন
» এক নজরে ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের বর্ণাঢ্য জীবন
প্রকাশিত: ২৪. অক্টোবর. ২০২০ | শনিবার
চেম্বার ডেস্ক:: সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রফিক-উল হক শুধু প্রতিথযশা আইনজীবীই ছিলেন না, সমাজসেবক হয়ে দেশের নানা সংকটে ভূমিকা রেখেছেন তিনি।
রফিক-উল হকের জন্ম ১৯৩৫ সালের ২ নভেম্বর কলকাতায়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেয়ার পর তিনি এলএলবি ডিগ্রি করেন।
তিনি ১৯৬০ সালে কলকাতা উচ্চ আদালতে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে বার অ্যাট ল করেন যুক্তরাজ্য থেকে।
ব্যারিস্টার রফিক ১৯৬২ সালে ঢাকার উচ্চ আদালতে যোগ দেন। ১৯৭৫ সালে তিনি আপিল বিভাগে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসাবে তালিকাভুক্ত হন।
১৯৯০ সালে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল করা হয়েছিল তাকে।
সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ অনেক রাজনীতিবিদের পক্ষে সুপ্রিমকোর্টে আইনি লড়াই করে আলোচনায় ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক।
আইন পেশায় সফলতা হিসেবে অনেক অর্থ উপার্জন করেছেন প্রবীণ এই আইনজীবী; যার বড় অংশই খরচ করেছেন সমাজসেবায় ও মানুষের কল্যাণে। প্রতিষ্ঠা করেছেন বেশ কয়েকটি হাসপাতাল, এতিমখানা, মসজিদ ও মেডিকেল কলেজ।
নিজে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়েছিলেন ১৯৮৬ সালে। তাই গরিব মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় প্রবল টান ছিল ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের।
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এখন একটি ১০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ হচ্ছে। এ ছাড়া ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠা করেছেন সুবর্ণ ক্লিনিক। ঢাকা শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায়ও ভূমিকা ছিল এই আইনজীবীর।
বারডেম হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ ও নূরজাহান ওয়ার্ড, আহছানিয়া মিশন ক্যানসার হাসপাতাল এবং আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান রফিক-উল হক। অন্তত ২৫টিরও বেশি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তিনি সরাসরি জড়িত ছিলেন।
বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের অধিকারী রফিক-উল হক শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।
বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে আদ-দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন রফিক-উল হক।
রফিক-উল হকের স্ত্রী ফরিদা হক বেশ কয়েক বছর আগে মারা যান। তার ছেলে ফাহিম-উল হকও আইনজীবী।
সর্বশেষ খবর
- তৃতীয়বারের মতো বাংলা প্রেসক্লাব মিশিগানের কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত সোলায়মান আল মাহমুদ
- সিলেট সরকারী আলীয়া মাঠে ঈদুল আযহার জামাত সকাল সাড়ে ৭ টায়
- কানাইঘাট বড়চতুলে রাতের অধাঁরে রিক্সা চালকের গাছ কেটে সাবাড়
- কানাইঘাটে কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- কুদরত উল্লাহ মসজিদে হবে ঈদুল আযহার ৩ জামাত
সর্বাধিক পঠিত খবর
- সিলেট সরকারি মদন মোহন কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা
- সিলেট-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আশিক চৌধুরীর লিফলেট বিতরণ
- নিঃস্ব মানুষের দীর্ঘশ্বাস শুনতে ধসে পড়া কুশিয়ারাপারে অ্যাড. এমরান চৌধুরী
- কানাইঘাট প্রেসক্লাবে প্রবাসী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের নিয়ে মতিবিনিময়
- কানাইঘাটে বিএনপির জনসভা: সিলেট-৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী চান নেতাকর্মীরা
এই বিভাগের আরো খবর
- কুদরত উল্লাহ মসজিদে হবে ঈদুল আযহার ৩ জামাত
- বিগত নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে গণরায় পাল্টে দেওয়া হয়েছে: সিলেটে এ.টি.এম আজহার এমপি
- কানাইঘাটে খাল খনন ও বৃক্ষরোপন কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষে প্রশাসনের বিশেষ সভা
- কানাইঘাট অ্যাসোসিয়েশন,মেজরটিলা সিলেটের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন, নেতৃত্বে এনাম-কাশেম
- কানাইঘাটের লক্ষ্মীপ্রসাদ পুর্ব ইউনিয়নের হোল্ডিং ট্যাক্সের ১৪-১৫ লক্ষ টাকা লাপাত্তা!

