সর্বশেষ
|
প্রকাশ: শনিবার, আপডেট : ০৯ মে ২০২০ ১১:০৫ ঘণ্টা

করোনার ভ্যাকসিন পরীক্ষা : বানরের শরীরে শতভাগ সাফল্য

চেম্বার ডেস্ক: করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পরীক্ষায় পৃথিবীর বহু বিজ্ঞানী দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। দ্রুততম সময়ে তারা এর ভ্যাকসিন আবিষ্কার করতে চান। বাঁচাতে চান করোনার অন্ধকারে বিপন্ন মানবজাতিকে। এবার সে প্রচেষ্টায় সুখবর এসেছে।

একদল চীনা গবেষক সম্প্রতি বানরের শরীরে একটি নতুন উদ্ভাবিত ভ্যাকসিন (প্রতিষেধক) প্রয়োগ করে শতভাগ সাফল্য পেয়েছেন।

জানা গেছে, ভ্যাকসিনটির নাম ‘পিকোভ্যাক’। এটি তৈরি করেছে বেইজিংভিত্তিক প্রতিষ্ঠ্যান সিনোভ্যাক বায়োটেক। প্রচলিত ভাইরাসপ্রতিরোধী প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই বানানো এই ভ্যাকসিনটি প্রাণীর শরীরে প্রয়োগ করলে অ্যান্টিবডি তৈরি হবে, যা ভাইরাস ধ্বংস করতে সহায়তা করবে।

এ ব্যাপারে সায়েন্স ম্যাগাজিন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তাতে জানানো হয়েছে, চীনের গবেষক দল সম্প্রতি রিসাস ম্যাকাকিউস প্রজাতির একদল বানরের শরীরে নতুন ভ্যাকসিনটি প্রয়োগ করেন। এরপর ৩ সপ্তাহ পেরিয়ে যাওয়ার পর, তারা বানরগুলোকে করোনাভাইরাসের সংস্পর্শে নেন।

তাতেই এক সপ্তাহ পরে দেখা যায়, যেসব বানরের শরীরে বেশি মাত্রায় ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছিল তাদের ফুসফুসে করোনার উপস্থিতি নেই, অর্থাৎ ভ্যাকসিনটি ভাইরাস প্রতিরোধে সক্ষম হয়েছে। আর যেসব বানরকে ভ্যাকসিন দেয়া হয়নি তারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং তাদের শরীরে নিউমোনিয়ার উপসর্গ দেখা দিয়েছে। গত এপ্রিলের মাঝামাঝি মানবদেহেও পিকোভ্যাকের ট্রায়াল শুরু হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, করোনা মোকাবিলায় পিকোভ্যাকই একমাত্র ভরসা নয়। একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে চীনা সেনাবাহিনী আরও একটি ভ্যাকসিন তৈরি করছে। ইতোমধ্যেই হিউম্যান ট্রায়ালের দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করেছে চীনা সেনাবাহিনীর সেই ভ্যাকসিনটিও।