|
প্রকাশ: সোমবার, আপডেট : ২৭ এপ্রি ২০২০ ০২:০৪ ঘণ্টা

করোনা প্রতিরোধে পুলিশের অবিচল প্রচেষ্টায় জাতি আজ গর্বিত

ফারহানা বেগম হেনাঃ

একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি। তবে বাবার কাছ থেকে শুনেছি অনেক কিছুই। বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে দেখিনি। দেখতে পাইনি ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষনের মঞ্চ, শুনতে পারিনি তার সেই জ্বালাময়ী ভাষণ। তবে জন্মের পর থেকেই সবকিছুর সাথে বাংলাদেশ পুলিশের নাম শুনেছি, দেখেছি। তারা কি কাজ করেন, অনেকটাই পত্রপত্রিকায় এসেছে। কিছুটা দেখেছি। কিছুটা শুনেছি। দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে সুনাম-দূর্নাম দুটোতেই বাংলাদেশ পুলিশের অনন্য ভূমিকা রয়েছে।

যদিও বাংলাদেশ পুলিশের অতীত সুখকর ছিল না। কিন্তু এই পুলিশ সে দিনই আমাদের পুলিশ হয়েছে যেদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ২৫ মার্চের কালো রাতে ঢাকার নিরস্ত্র মানুষের ওপর হামলে পড়ে। আমরা অনেকেই জানি না, মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হায়েনার বিরুদ্ধে প্রথম পাল্টা আঘাত আসে আমাদের এই পুলিশের বন্দুক থেকে। মহান মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের ডিআইজি, এসপিসহ প্রায় ১৫০০ সদস্য শাহাদত বরণ করেন। বিষয়টি একই সঙ্গে গর্বের ও আনন্দের। কিন্তু তাদের একজনও বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পাননি!

 

একাত্তরের পর বর্তমান অবধি মরণ ভাইরাস খ্যাত করোনা পূর্ববর্তী বাংলাদেশ পুলিশের কতিপয় কর্মকর্তাসহ সম্পৃক্তদের ভূমিকা নিয়ে নানা শ্রেণির মধ্যে ছিল চরম বিষাদাগার। অথচ মরণ ভাইরাস করোনাকে শুধু প্রতিহত নয়, রীতিমতো জয় করতে বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য যারপরনাই চেষ্টায় অবিচল। তাদের এ অব্যাহত চেষ্টায় বাঙালি আজ গর্বিত।

পুলিশ বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের এই প্রশংসনীয় উদ্যোগ, কর্মযজ্ঞ, কর্মতৎপরতা, মহানুভবতা, অন্যের বিপদে বাঁপিয়ে পড়া, প্রতিটি নাগরিককে সুরক্ষা দিতে প্রাণপনে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়াটা আজ সত্যিই বাঙালি জাতির জন্য এক অনন্য উজ্জল দৃষ্টান্ত।

 

মহামারী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সৃষ্ট অচলাবস্থায় আয় রোজাগার কমেছে দেশের মানুষের। অসহায় নিম্নবিত্তের পাশে সহায়তা নিয়ে দাঁড়িয়েছেন অনেকে। কিন্তু সমাজের মধ্যবিত্ত শ্রেণি অর্থকষ্টে থাকলেও পারিপার্শ্বিক লোকলজ্জার ভয়ে সহযোগিতা চাইতে পারে না। এ দুর্দশায় এ শ্রেণির মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন না করে মধ্যবিত্ত আর নিম্নবিত্ত পরিবারের কাছে গোপনে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দিচ্ছেন পুলিশের সদস্যরা। এটি পুলিশের নিজস্ব উদ্যোগ, সরকারি প্রণোদনা নয়। পুলিশের সমাদৃত এ উদ্যোগ মানুষের হৃদয়ে স্থান পেয়েছে।

দেশের এ সংকটে অনেক মানবিক দৃষ্টান্ত সামনে আসছে। তবে পুলিশের মানবিক উদ্যোগ ও নিরলস কাজ এই বাহিনীকে নতুনভাবে উপস্থাপন করছে সাধারণ মানুষের কাছে।

 

কোভিড-১৯ নিয়ে আতঙ্কে মানুষ। আর সব ভয় অতিক্রম করে সার্বক্ষণিক সেবা দিয়ে যাচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা। প্রয়োজনে ঝুঁকিও নিতে হচ্ছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী লোকজনের দাফনের দায়িত্বটুকু পড়েছে পুলিশের কাঁধে। শুধু তা-ই নয়, বিদেশফেরত লোকজনের হাতে কোয়ারেন্টিনের তারিখসমৃদ্ধ সিল বসানোর ঝুঁকি নিয়েছিল পুলিশ। দেশে সৃষ্ট এ অচলাবস্থায় মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি মানবিক কাজেও এগিয়ে আসছেন এ বাহিনীর সদস্যরা।

নানা আলোচনা ছাপিয়ে গত কয়েক দিনে দেশের গণমাধ্যমে ইতিবাচক সব মানবিক কাজের স্বীকৃতিও পেয়েছেন এ বাহিনীর সদস্যরা। সিলেট, হবিগঞ্জ, বগুড়ার শিবগঞ্জে, রাজশাহীর বাগমারায়, শরীয়তপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত ব্যক্তিদের দাফনেস্থানীয়দের বাধা অথবা অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ দাফন অথবা মধ্যবিত্ত আর নিম্নবিত্ত পরিবারের কাছে গোপনে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দেয়া, এসব ঘটনা পুলিশের ব্যবস্থাপনায় সমাধানে আসে। এর মধ্যে দুই কিলোমিটার দূরে দাফনেও বাধা এবং করোনা-আতঙ্কে আত্মীয়স্বজন ছাড়াই শেষকৃত্যের ঘটনাও রয়েছে। প্রাণঘাতী এই ভাইরাস পরম আপনজনকে দূরে সরিয়ে দিলেও পাশে আছে পুলিশ।

 

চট্টগ্রামে সিএমপি হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা মানুষের বাসায় বাজার পৌঁছে দিতে ‘ডোর টু ডোর শপ’ চালু করেছে। অসহায় মানুষের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া, কোয়ারেন্টিন মানা প্রবাসীদের বাসায় উপহারস্বরূপ ফলমূল পৌঁছে দেওয়া বা স্বীকৃতি সনদ প্রদান, চিকিৎসক-নার্সদের কর্মস্থলে পৌঁছে দেওয়াসহ বেশ কিছু উদ্যোগে নিয়েছে। করোনা-আতঙ্কে চট্টগ্রামে পাঁচ মাস বয়সী এক শিশুকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসাসেবা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। শেষে পুলিশের হস্তক্ষেপে ওই শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং সুস্থ হয়ে বাড়িও ফিরেছে। অথচ এই সংকটে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি নিয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালনের কথা ছিল চিকিৎসক সমাজের।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগ রেশন ও বেতনের টাকায় ছিন্নমূল দুস্থ মানুষকে খাবার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোথাও কোথাও নিজের বেতনের অর্ধেক বা কিছু অংশ ব্যয়ে মানুষের সহায়তায় আসছেন পুলিশের সদস্যরা। দেশজুড়ে পুলিশের সব ভালো কাজের সংবাদ আসছে গণমাধ্যমে। আবার এ সংকটে নাগরিকদের দায়িত্বহীন আচরণের খবরও আসছে। চট্টগ্রামে কয়েকজন নাগরিক বাসায় বসে মাছ-আচার বানানোর পাঁচফোড়ন কিনে দেওয়ার জন্য পুলিশের হটলাইনে ফোনও করেছেন। তার পরও নিরবচ্ছিন্নভাবে পুলিশ সেবা দিয়ে যাচ্ছে, যেন পুলিশের মধ্যে ভালো কাজের এক ধরনের প্রতিযোগিতা চলছে।

 

আজকের পুলিশ এক নতুন মাত্রা সংযোজন করেছে। সবাই হাত গুটিয়ে নিলেও পুলিশ সদস্যরা কিন্তু বসে নেই। তারা অবিশ্রান্ত, ক্লান্তি দুরে ঝেড়ে ফেলে অন্যের বিপদে পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। ভুলে গেছেন তার পরিবার, স্বজনদের কথা। খাবার নেই, ছুঁটছেন পুলিশ খাবার দেওয়ার জন্য। করোনা সন্দেহে বা উপসর্গ নিয়ে হয়তো অসুস্থ, নতুবা মারা গেছেন। এই পুলিশ সদস্যরাই ছুঁটে যাচ্ছেন। শহর, গ্রামগঞ্জ, পাড়া মহল্লা, হাট বাজার, দোকানপার্ট সবস্থানেই আর কেউ না থাকলেও পুলিশ কিন্তু আছে। তাদের সেবা, তাদের ভালোবাসায় আজ পুরো বাঙালি জাতি অভিভূত হবেন এটা আমার ব্যক্তিগত উপলব্দি।

উপমহাদেশে পুলিশ বাহিনী সৃষ্টির ইতিহাসই নেতিবাচক। পুলিশের সৃষ্টি হয়েছিল আতঙ্ক-ভীতি সৃষ্টির জন্য; দমানোর অস্ত্র হিসেবে, যা ছিল ইংরেজ শাসকদের সহযোগিতার ‘লাঠিয়াল বাহিনী’। ১৮৬১ সালের সেই পুরোনো আইন দিয়ে চলছে দেশের পুলিশ। সেই থেকে এ বাহিনী সব সময় নেতিবাচকভাবে উপস্থাপিত হয়ে আসছে। নাটক-সিনেমায় পুলিশকে ‘জনবিরোধী’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এর জন্য বাংলাদেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটও দায়ী। আমরা দেখেছি, ছোট বাচ্চাদের ভয় দেখাতে পুলিশের ভয়ংকর রূপ হাজির করেন মায়েরা।

 

এসব নেতিবাচক চরিত্রে উপস্থাপিত হওয়ার অন্যতম কারণ পুলিশের সেই ব্রিটিশ আমলের চরিত্র থেকে বের হতে না পারা। রাষ্ট্রের ক্ষমতায় বসা রাজনৈতিক দলগুলো পুলিশকে ব্যবহার করেছে ‘রাজনৈতিক হাতিয়ার’ হিসেবে।

বছর কয়েক ধরে নেতিবাচক খোলস থেকে বেরিয়ে আসতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ বাহিনী। দূরত্ব ঘোচাতে ‘পুলিশ জনতা, জনতাই পুলিশ’ প্রতিপাদ্যে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছিল। এটি সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলে সমাজের মানুষের সহায়তায় ‘অংশীদারত্বমূলক পুলিশিং কার্যক্রম’ প্রতিষ্ঠার ধারণা।

 

অনেক সমালোচনা, অনেক কটূক্তি শুনে বাংলাদেশ পুলিশ আজকের অবস্থানে এসেছে। প্রতিনিয়ত মারামারি, হাঙ্গামা, খুন, মর্গ-হাসপাতাল-আদালতে দৌড়াতে দৌড়াতে থাকে পুলিশ। বাংলাদেশ পুলিশের মতো এত চাপ নিয়ে পৃথিবীতে আর কোনো পুলিশ কাজ করে কিনা জানা নেই।

 

যুগ যুগ ধরে পুলিশকে দমিয়ে রাখা হয়েছে। অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে পুলিশকে নিয়ে। এতে প্রকৃত সাহসী ও মেধাবী ছেলেরা পুলিশে আসতে অনীহা প্রকাশ করতেন।

কিন্তু সময় বদলে গেছে। এখন দেশের মেধাবীদের কাছে বাংলাদেশ পুলিশ একটি কাঙ্ক্ষিত নাম। পুলিশের এএসপি, সাব-ইন্সপেক্টর, সার্জেন্ট প্রভৃতি পদে প্রতি বছর প্রায় নিয়মিতভাবে নিয়োগ করা হচ্ছে। এসব পদে যোগ দিচ্ছেন ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের শীর্ষ পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ গ্র্যাজুয়েটরা। এমন হাজার হাজার মেধাবী ও সাহসী তরুণের কর্মস্থল যখন বাংলাদেশ পুলিশ, তখন আপনি এই পুলিশে আস্থা রাখতেই পারেন।

বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনা পৃথিবীকে নাড়া দিয়ে যাচ্ছে। করোনায় মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যে দেড় লাখ পার করেছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। মানুষ করোনায় নিজের অসুস্থ মাকে জঙ্গলে ফেলে চলে যাচ্ছে, মৃতদেহের সৎকারে আপনজনরাও অংশ নিচ্ছেন না। কিন্তু পুলিশ প্রাণের মায়া তুচ্ছ করে বীরের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ছেন এসব মানুষের সেবায়। ইতিমধ্যে দেশের নানা জেলায় পুলিশের অনেক সদস্য ও কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আপনার জীবন বাঁচাতে পুলিশের জীবন আজ সংকটে। তবু তৃপ্তি এখানেই যে মানুষের জন্য পুলিশ তার সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করে যাচ্ছেন। শুধু কি তাই?

 

এই পুলিশ তাদের বেতন ভাতা থেকে ২০ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে। এখান থেকে সাহায্য পাবেন দেশের অসহায় মানুষরা। আজ ফোন করলেই পুলিশ মানুষের বাজার করে দিয়ে আসছেন ঘরে ঘরে। মানুষকে ঘরে থাকতে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে নিরন্তর। এ ছাড়া রোগীকে হাসপাতালে পাঠানো থেকে শুরু করে মানুষকে কাউন্সেলিং করা, গানে গানে কোয়ারেন্টিনে থাকা লোকদের সঙ্গ দেওয়া, জনসাধারণের মাঝে মাস্ক-স্যানিটাইজার বিতরণ, মধ্যবিত্তের ঘরে গোপনে খাবার দিয়ে আসাসহ করোনা চিকিৎসায় নিয়োজিত ডাক্তার ও কর্মীদের নিরাপত্তা, কবরস্থানের জন্য জায়গা দেওয়া, কবর খোঁড়া, লাশ কাঁধে নিয়ে যাওয়া, কিশোরদের হাতে হাতে বই তুলে দিয়ে তাদের ঘরমুখী করার কাজ নিরলসভাবে করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশের দুই লক্ষাধিক সদস্য।

এ পাল্টে যাওয়া পুলিশ সারা দেশে নিজেদের রেশনের চাল-ডাল-তেল-চিনি অকাতরে বিলিয়ে দিচ্ছে অভাবী মানুষের মাঝে। ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে নিজের পকেটের টাকা দিয়ে কেনা খাদ্যসামগ্রী। আমার বিশ্বাস আমাদের সামন্য সমর্থন পেলে আমাদের পুলিশ বাহিনী পৃথিবীর সেরা পুলিশ বাহিনী হিসেবে আত্নপ্রকাশ করবে।

 

সেদিন হয়তো বেশি দূরে নয়, আপনি গভীর রাতে আপনার বাচ্চার জন্য দুধ চেয়ে ফোন করলে হয়তো পুলিশ দুধের প্যাকেট হাতে পৌঁছে যাবে আপনার ঠিকানায়। এ পরিবর্তিত পুলিশের জন্য রইলো অকৃত্রিম ভালোবাসা। একই সাথে ধন্যবাদ জানাচ্ছি মরণভাইরাস করোনার এই মহামারি সময়ে পুলিশের পাশাপাশি, সেনাবাহিনী ও র‌্যাব সদস্যরা এগিয়ে এসেছেন। ক্লান্তিহীন ভাবে কাজ করছেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। আর মানবতার সেবায় রয়েছেন বাংলাদেশের আপামর চিকিৎস সমাজ। ত্রান সামগ্রী নিয়ে এগিয়ে এসেছেন সরকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, দলীয় সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সমাজের বিত্তবানেরা। সবক্ষেত্রে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে রেখেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা। আল্লাহ আমাদের সকলকে রক্ষা করুন।

লেখক: সম্পাদক,ডেইলিবিডিনিউজডটনেট।