|
প্রকাশ: শনিবার, আপডেট : ০৪ এপ্রি ২০২০ ০৬:০৪ ঘণ্টা

করোনাভাইরাস: এবার যাত্রীবাহী লঞ্চে হচ্ছে আইসোলেশন সেন্টার

চেম্বার ডেস্ক: করোনাভাইরাসের প্রকোপ দিন দিন বাড়তে থাকায় যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো আইসোলেশন সেন্টার করার কথা ভাবা হচ্ছে। লঞ্চগুলো প্রস্তুত আছে এবং এ ব্যাপারে মালিকদের সম্মতি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এখন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

শনিবার রাজধানীর সদরঘাটে নৌযানে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, লঞ্চগুলোতে আইসোলেশন সেন্টার করা হলে উপকূলীয় অঞ্চলে; যেখানে করোনাভাইরাসের চিকিৎসা পৌঁছেনি, সেখানে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে এই ব্যবস্থা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, লঞ্চের নিরাপত্তার বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তের কারণে লঞ্চগুলো বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাথে কথা বলে লঞ্চগুলো কীভাবে নিরাপদ জায়গায় আনা যায় সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব।

খালিদ বলেন, আমরা নৌযান শ্রমিকদের পাশে আছি। করোনা সংক্রান্ত সংকট থেকে উত্তরণ না হওয়া পর্যন্ত সরকার নৌযান শ্রমিকদের পাশে থেকে সহযোগিতা করবে।

তিনি আরও বলেন, লঞ্চ মালিকদের (ব্যবসায়ীদের) বিষয়টি সরকার নিশ্চয়ই দেখবে। সরকার রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে প্রণোদনা দিয়েছে। নৌপরিবহন সেক্টরটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নৌপথে ৩৫ ভাগ পরিবহন হয়ে থাকে; পজেটিভ দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে এখাতকে দেখা হবে।

পরে প্রতিমন্ত্রী সদরঘাটে ঘাট শ্রমিকদের মাঝে ২০০ প্যাকেট খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

এ সময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর সৈয়দ আরিফুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, অভ্যন্তরীণ নৌযান (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার চেয়ারম্যান মাহবুবউদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, সিনিয়র সহ-সভাপতি বদিউজ্জামান বাদল এবং লঞ্চ মালিক সমিতির সহ-সভাপতি শহীদুল ইসলাম ভূইয়া উপস্থিত ছিলেন।