|
প্রকাশ: শনিবার, আপডেট : ২১ মার্চ ২০২০ ০১:০৩ ঘণ্টা

করোনাভাইরাসে থেকে তরুণরা ঝুঁকিমুক্ত নয় : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

চেম্বার ডেস্ক: করোনাভাইরাস বয়স্কদের বেশি আক্রান্ত করলেও তরুণরা ঝুঁকিমুক্ত নয়। এমনটাই জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রস আধানম গ্যাব্রিয়েসুস।

টেড্রস বলেন, এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়েছে বয়স্করা। তাই বলে তরুণরাও রেহাই পায়নি। অনেককেই চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে যেতে হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘তরুণদের বলতে চাই। আপনারাও ঝুঁকিমুক্ত নন। এই ভাইরাস আপনাকে কয়েক সপ্তাহের জন্য হাসপাতালে পাঠাতে পারে, এমনকি হত্যাও করতে পারে। যদি আপনি অসুস্থ নাও হন, তারপরও আপনি কোথায় যাচ্ছেন সেটার উপর অন্য কারো জীবন ও মৃত্যুর পার্থক্য নির্ভর করে। তবে আমি খুশি যে অনেক অনেক তরুণ সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে কিন্তু ভাইরাসটি ছড়াচ্ছে না।’

চীনে নতুন করে কোনো আক্রান্তের খবর না পাওয়ায় আশার আলো দেখছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ২৪ ঘণ্টায় সেখানে নতুন কোনো কোভিড-১৯ এ আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়নি। গত ডিসেম্বরের পরে এমন ঘটনা ঘটলো এই প্রথমবার।

টেড্রস বলেন, এই পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখাচ্ছে উহান। তবে সতর্কবার্তাগুলো এখনো মেনে চলতে হবে। কারণ যে কোনো সময় পরিস্থিতি ঘুরে যেতে পারে। যেসব দেশ বা শহর করোনা মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে তারা বিশ্বের অন্যান্য দেশকে আশা ও সাহস দিচ্ছে।

এখনো চীনে কিছু কিছু আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। তারা দেশের বাইরে থেকে আগত। টেড্রস বলেন, সবচেয়ে বেশি চিন্তার বিষয় ছিলো এই ভাইরাসের প্রভাব। সেটা হয়তো জনগণের স্বাস্থ্যহানি ঘটাবে বা জনগণকে অরক্ষিত করবে।

তবে এই সময়ে সামাজিক দূরত্ব নয় বরং শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলছে সংস্থাটি। মানে শারীরিকভাবে যথেষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে অন্যান্য উপায়ে যোগাযোগ রাখুন। তা হলে ভাইরাসটি ছড়াবে না আবার মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে। এই সংকটের সময়ে মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্বই সব থেকে বেশি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপে করোনা নিয়ে তথ্য, খবর, লক্ষণের বিস্তারিত ও কীভাবে ভাইরাস প্রতিরোধ করা যাবে সেই বিষয়ে স্বাস্থ্য বার্তা দেওয়া হবে। বর্তমানে ইংরেজিতে হলেও সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই অন্যান্য ভাষাতেও এই সেবা দেওয়া হবে।