সর্বশেষ
|
প্রকাশ: রবিবার, আপডেট : ০২ ফেব্রু ২০২০ ১১:০২ ঘণ্টা

সিলেটে এসএসসি পরীক্ষার্থী ১ লাখ ১৬ হাজার

চেম্বার ডেস্ক: আগামীকাল সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা। গত বছরের তুলনায় সিলেটে এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা বেড়েছে। সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কবির আহমেদ এ তথ্য জানান।

 

এ বছর সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষা দিবে ১ লাখ ১৬ হাজার ৩৬৭ জন শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭২ জন। অন্যদিকে এবার সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৪৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গতবার কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১৩১টি। অর্থাৎ এ বছর পরীক্ষার্থী বেড়েছে প্রায় ৩ হাজার এবং কেন্দ্র বেড়েছে ১৫টি। আন্তঃবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এবার সারাদেশে এসএসসি ও সমমানের মোট পরীক্ষার্থী ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন। আর কেন্দ্রের সংখ্যা ৩ হাজার ৫১২টি।

 

আগের রুটিন অনুযায়ী, আজ ১ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঢাকার ২ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য দুদিন পেছানোয় ১ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষা শুরুর সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ ও এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের জন্য ২৫ জানুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

 

প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধের প্রসঙ্গে সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কবির আহমেদ বলেন, গত ২ বছর ধরে এসএসসিতে কোনো প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি। এবারো এ ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে শিক্ষা বোর্ড। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকতে হবে। পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে কোন সেটের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়া হবে সেটি জানানো হবে।

 

কবির আহমেদ জানান, ১৬ জানুয়ারি সচিবালয়ে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার আইনশৃঙ্খলা নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির উপস্থিতিতে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা গ্রহণের ব্যাপারে আলোচনা করা হয়।

 

জানা যায়, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পালসিজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী স্ক্রাইব (শ্রুতি লেখক) সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এ ধরনের পরীক্ষার্থীদের এবং শ্রবণ প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় দেয়া হবে। তা ছাড়া অটিস্টিক, ডাউন সিনড্রোম, সেরিব্রাল পালসি পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় ও শিক্ষক, অভিভাবক অথবা সাহায্যকারীর বিশেষ সহায়তায় পরীক্ষা প্রদানের সুযোগ দেয়া হবে।