|

মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় শেষ হলো ইজতেমার প্রথম পর্ব

চেম্বার ডেস্ক: ইহকালে শান্তি, আখেরাতে মাগফেরাত এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। আজ রবিবার (১২ জানুয়ারি) বেলা ১১টা ৮ মিনিট থেকে ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত চলা এ আখেরি মোনাজাতে লাখো মুসল্লি অংশ নেন

মোনাজাত পরিচালনা করেন রাজধানীর কাকরাইল জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা যোবায়ের আহমেদ। এ সময় মুসল্লিরা ‘আমিন-আমিন’ ধ্বনিতে ইজতেমা ময়দান মুখরিত করে তোলেন।

ফজরের নামাজের পর হেদায়েতি বয়ান করেন পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হক। আখেরি মোনাজাতের আগে ভারতের মাওলানা ইবরাহিম দেওলা করবেন বিশেষ বয়ান।

আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে রবিবার ভোর থেকেই দূর দূরান্ত থেকে টঙ্গীতে আতে শুরু করে মানুষ। যানবাহন না পেয়ে অনেকেই হেঁটে ইজতেমা মাঠে পৌঁছান।

আখেরি মোনাজাতের আগেই ইজতেমা ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। ময়দানের আশপাশের অলি-গলি, রাস্তা, পাশের বাসাবাড়ি, কল-কারখানা ছাদ, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নিয়েও অনেকে মোনাজাতে হাত তোলেন।

পুরুষদের পাশপাশি নারীদেরও ইজতেমা ময়দান ও আশপাশে সড়ক ও অলিগলিতে অবস্থান নিয়ে মোনাজাতে শামিল হতে দেখা যায়।

আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে রবিবার ভোর থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এয়ারপোর্ট থেকে জয়দবেপুর চৌরাস্তা, ঢাকা-সিলেট সড়কের গাজীপুর সদরের মীরের বাজার থেকে টঙ্গী ও আব্দুল্লাহপুর-আশুলিয়া সড়কের আব্দুল্লাহপুর থেকে বাইপাস সড়ক পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। মোনাজাত শেষে আবার যান চলাচল শুরু হয়।

টঙ্গী, গাজীপুর, উত্তরাসহ আশপাশের এলাকার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, মার্কেট, বিপণিবিতান এবং অফিসও আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে বন্ধ ছিল।

বরাবরের মতোই ইজতেমা উপলক্ষে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এ ছাড়া প্রতিটি ট্রেনই ৫ মিনিট যাত্রাবিরতি করবে টঙ্গী রেলওয়ে জংশনে।

৪ দিন বিরতি দিয়ে ১৭ জানুয়ারি শুক্রবার শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। ১৯ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এ বছরের বিশ্ব ইজতেমা।