সর্বশেষ
|

জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে একযোগে কাজ করবে নেপাল-বাংলাদেশ

চেম্বার ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ফোরামে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে নেপাল ও বাংলাদেশ একযোগে কাজ করবে।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নেপালের রাষ্ট্রপতির বাসভবন শীতল নিবাসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এম আব্দুল হামিদ ও নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই অভিমত ব্যক্ত করেন। উভয় দেশের রাষ্ট্রপতি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সুসম্পর্ক বজায় রাখায় একে অপরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন। তিনি জানান, ঢাকা এবং কাঠমান্ডু দুই দেশের মধ্যে সড়ক, রেল, নৌ ও বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে উভয় দেশ গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারি বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে দূরত্ব মাত্র কয়েক কিলোমিটার। তবে বাংলাদেশ ও এর জনগণ সব সময় আমাদের হৃদয়ে। এসময় তিনি বাংলাদেশের সৈয়দপুর থেকে নেপালের ভদ্রপুর, বিরাটনগর অথবা ভৈরবা বিমান যোগাযোগের অনুরোধ জানালে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগে নিজেই এ প্রস্তাব দিয়েছেন।

উভয় দেশের প্রেসিডেন্ট বলেন, দুই দেশই এ যোগাযোগ স্থাপনের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে।

বৈঠকে দেবী ভান্ডারি বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ করে অর্থনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতির ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি নেপালী শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ ও দীর্ঘ মেয়াদি করায় রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ও বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে নেপাল বাংলাদেশকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে এবং মিয়ানমারের নাগরিকরা যাতে দ্রুত সম্মানের সহিত তাদের দেশে ফেরত যেতে পারে সে বিষয়ে মিয়ানমারের উপর তাৎপর্যপূর্ণ চাপ অব্যাহত রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নেপাল-বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক আগামী দিনে আরো শক্তিশালী হবে বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি হামিদ।

এসময় জাতীয় সংসদের হুইপ আতিকুর রহমান আতিক, এবিএম ফজলে করিম চৌধুরি এমপি, পররাষ্ট্র সচিব মো: শহিদুল হক, রাষ্ট্রপতির সচিব সম্পদ বড়–য়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল শামিম-উজ-জামান এবং প্রেস সচিব অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস