সর্বশেষ
|

নজর কেড়েছে “নাজরানা”: সুলায়মান আল মাহমুদ

 

চেম্বার ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল আযহা শিক্ষা দেয় পশু জবাইয়ের মাধ্যমে কোরবানীর সুমহান ত্যাগের। এ শিক্ষার আলোকে মানব জীবন পরিচালনার মাধ্যমে ব্যক্তি ও সমাজ জীবন পরিচালনার মাধ্যমে ইহকালিন কল্যান ও পরকালিন মুক্তি সম্ভব। পবিত্র ঈদুল আযহার শিক্ষা মানব মনে ছড়িয়ে দিতে মাত্র পাঁচ মিনিটের একটি ডকুমেন্টারী “নাজরানা” গানটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে বলে আমার বিশ্বাস। মিউজিক্যাল ফিল্মটি অনলাইনে মুক্তির পর তরুনদের নজর কেড়েছে।

‘তুমি আকবর নিয়ত দেখো, আর কিছু চাও না’র অনলাইনে মুক্তি পাওয়া মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘নাজরানা’র একটি লাইন। গানটিতে তুলে ধরা হয়েছে ঈদুল আজহার ত্যাগের বাণী। সংগীত পরিচালনা করেছেন পারভেজ জুয়েল এবং কণ্ঠ দিয়েছেন শিল্পী দিদারুল ইসলাম। কথা লিখেছেন লন্ডন প্রবাসী হিফজুর রহমান তাসনিম। ইলহান্স নাশিদের ব্যনারে প্রডিউস করেছেন আন্তর্জাতিক নাশিদ শিল্পী শহীদ ফালাহি।

নোয়াখালীর সন্তান তরুন প্রজন্মের প্রতিভাবান কন্ঠশিল্পী দিদারুল ইসলাম ছাত্র জীবন থেকেই গানের সাথে জড়িত। জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন পুরস্কার প্রাপ্ত এই শিল্পী গান শেখেন কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমী, কুমিল্লা থিয়েটার এবং ক্ল্যাসিকেল গান তালিম নেন ঢাকায় অনেক খ্যতিমান শিল্পীদের ওস্তাদ গুরু সঞ্জীব দের কাছে।

মিউজিক ফিল্মটিতে অভিনয় করেছেন শিশুশিল্পী খুবাইব, যাওয়াদ, খাদীযাহ এবং সাব্বির, আপন, মনিকা, শান্তি, নোমান ও মুন্তাসির। নির্দেশনা দিয়েছেন এইচ আল বান্না। শিল্প নির্দেশনায় ইনাম আল হাসান, লোকেশন ম্যানেজিং এ জিম এবং সুপারভিশনে ছিলেন এইচ এম মুহাম্মদ। আশুলিয়ার বিভিন্ন লোকেশনে গানটির চিত্র ধারন করা হয়। অহনিশ ফিল্মসের মিউজিক্যাল কনসার্ন ফায়ারফ্লাইজ ক্রিয়েশন টিম নির্মাণ করেছে ‘নাজরানা’।

গানটির সুরকার ও শিল্পী দিদারুল ইসলাম আমাদেরকে বলেন, ‘গানটির মিক্স মাস্টারিং যখন চলছে তখনো আমরা কল্পনা করিনি এভাবে দর্শকপ্রিয়তা পাবে, প্রকাশ হওয়ার পর শ্রোতারা ফোনে এবং ইনবক্সে আমাদেরকে জানাচ্ছিলেন যে তারা অনেকেই গানটি দেখে কেঁদেছেন, অনেকেই বেশ ইমোশনাল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে পশুর প্রতি বাচ্চাদের ভালোবাসা আমাদেরকে শৈশবের অনেক ঘটনা মনে করিয়ে দেয়। আমরা আনন্দিত যে মানুষের মনে নাড়া দিতে পেরেছি। ধন্যবাদ জানাচ্ছি এই গানের গীতিকার হিফজুর রহমান তাসনিম ভাইকে এবং প্রডিউসার শহীদ ফালাহীকে সেই নাজরানা টিমের সকল সদস্যকে।’

নির্মাতা এইচ আল বান্না আশা ব্যক্ত করেন, ‘প্রভুর কাছে রক্ত, দাম, গোশত— কিছুই পৌঁছায় না। পৌঁছায় আমাদের ইনটেনশন। আশা করছি এই ইলশে গুঁড়ির দিনে কুরবানি নিয়ে এমন একটি সংগীত আপনাদের সকলকে প্রভুর আরো নিকটবর্তী হতে সহায়তা করবে। ঈদে সবাই মিলে মিশে একটি শান্তির দুনিয়া গড়ে তুলতে হয়তো গানটি অনুপ্রেরণা যোগাবে এবং “নাজরানা” গানটি সকল শ্রেণীর মানুষের মনে নাড়া দিবে।’